নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকবে পূণ্যভূমি সিলেটের ইজতেমা

প্রকাশিত: ১০:১৫ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৩, ২০১৬

নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকবে পূণ্যভূমি সিলেটের ইজতেমা

দীর্ঘ ২৫ বছর পর তাবলীগ জামাতের সিলেট বিভাগের ইজতেমা সামনের ডিসেম্বর মাসে শুরু হচ্ছে। দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোল্লারগাঁও ইউনিয়নের সিলেট-সুনামগঞ্জ বাইপাস সড়ক সংলগ্ন লতিপুর, খিদিরপুর এলাকার হাওরের মাঠে। আগামী ২৯, ৩০ ও ৩১ ডিসেম্বর বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে।

তার আগে ১৯৬৫ ও ১৯৮৪ সালে সিলেট জেলার সুরমা নদীর দক্ষিণ তীর সংলগ্ন টেকনিক্যাল মাঠে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমবার আখেরী মোনাজাত প্ররিচালনা করেন ইউসূফ জি (রহ:) এবং দ্বিতীয়বার মোনাজাত আখেরী করেন এনামুল হাসান (রহ:)। দীর্ঘ ২৫ বছর পর সিলেটের পূণ্যভূমিতে ইজতেমার আয়োজনে ব্যস্থ সময় পর করছেন সিলেটের মারকাজ মসজিদের মুরব্বীরা। এমনটি বলছিলেন সিলেট তাবলীগ জামাতের সিলেটের আমীর মোঃ সুয়েজ আফজাল খান।

ইজতেমা নিয়ে প্রতিটি মসজিদে তাবলীগ জামাতের সিলেট জেলার সকল হালকার ৩ চিল্লার সাথীসহ নতুন ও পুরাতন সাথীগন ইজতেমার দাওয়াতের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

সিলেটে তিন দিনের ইজতেমায় বয়ান করবেন ভারতের দিল্লি ও ঢাকার কাকরাইল মসজিদের তাবলীগ জামাতের মরুব্বীরা। বিশ্ব ইজতেমায় যারা বয়ান করে আসছেন সাধারণত তারাই সিলেটের ইজতেমায় বয়ান করবেন। আখীরাতের দাওয়াতের কাজে অবিজ্ঞ নতুনদেরও বয়ান দেয়ার সুযোগ দেয়া হতে পারে। তবে শেষ দিন আখেরী মোনাজাত কে করবেন এখনও নির্ধারণ (মাসওয়ারা) হয়নি।

সিলেট বিভাগের চার জেলা সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার থেকে মুসল্লিগন ইজতেমার জন্য জমায়েত হবেন। চার লাখের অধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের সমাগম যাতে হয় সেভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তাবলীগের মুরব্বী ও সাথীরা। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন সিলেট ইজতেমায় আল্লাহ ও নবী প্রেমী ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের ঢল নামবে।

মহিলাদের পৃতক কোনো ব্যবস্থা না থাকায় ইজতেমায় মহিলাদের অংশগ্রহণ কড়াকড়ি ভাবে নিষেধ করা হয়েছে। ইজতেমার আদব রক্ষার্থে অনুরোধ জানানো হয়েছে মহিলা মা-বোনরা যেন ইজতেমার ময়দান বা তার আশেপাশে না এসে যার যার বাসস্থানে থাকেন।

তাবলীগ জামাতের দীনের কাজে নিয়োজিত চিল্লার সাথীদের সাথে কথা হয় এ প্রতিবেদকের। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা জানান, ঢাকা টংগীতে বিশ্ব ইজতেমায় প্রতিবার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের ঢল নামায় দুবারে বিশ্ব ইজতেমা পালনের আয়োজন করা হয়। তার পরও জায়গা সংকুলান না হওয়ায় বিভাগ ভিক্তিক ইজতেমার আয়োজন করার নির্দেশ দেন তাবলীগ জামাতের প্রবীণ মুরব্বীরা। সে মুতাবেক বিভাগ ভিত্তিক ইজতেমার আয়োজন প্রথম সিলেট থেকেই শুরু করা হচ্ছে এ বছরের ডিসেম্বর থেকে। পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য বিভাগে ইজতেমার আয়োজন করা হবে বলে জানা যায়।

ডিসেম্বরে সিলেটে আয়োজিত ইজতেমার নিরাপত্তা নিয়ে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) জেদান আল মুসা সাংবাদিকদের বলেন, ঢাকা টংগীতে বিশ্ব ইজতেমায় যে ভাবে নিরাপত্তা দেয়া হয় সে ভাবে সিলেট ইজতেমায়ও নিরাপত্তার চাদরে পুরো এলাকা ঢাকা থাকবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি থাকবে ইজতেমা সংলগ্ন আশপাশ এলাকা ও আগত মুসল্লিদের যাতায়াতের স্থান সমুহে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি। 1452400264



এ সংবাদটি 832 বার পড়া হয়েছে.
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •   
  •   
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ শিরোনাম