শ্রমিক নেতা রিপন হত্যা; গ্রেফতার আরও ১, হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার

প্রকাশিত: ৭:১৯ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১, ২০২০

শ্রমিক নেতা রিপন হত্যা; গ্রেফতার আরও ১, হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার

নিউ সিলেট রিপোর্ট : সিলেটের দক্ষিণ সুরমা ভাবনা পয়েন্টে দুর্বৃত্তের হামলায় নিহত সিলেট বিভাগীয় ট্যাংক লরির শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো: ইকবাল হোসেন রিপন হত্যা মামলায় আরও ১ আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার (১ আগস্ট) ভোরে তাকে এসএমপি জালালাবাদ থানাধীন হাঁটখোলা, বড়কাপন এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার- মুহিবুর রহমান মুন্না (৩০), সে এসএমপি দক্ষিণ সুরমা থানাধীন বরইকান্দি ১নম্বর রোড, গাঙ্গু এলাকার মৃত আব্দুল করিম মনজ্জিরের পুত্র।
পুলিশ জানায়, এসএমপি কমিশনার গোলাম কিবরিয়া (বিপিএম)’র নির্দেশে উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মোহা: সোহেল রেজা (পিপিএম) নেতৃত্বে এসএমপি মোগলাবাজার ও দক্ষিণ সুরমা থানার সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল প্রযুক্তির সহায়তায় এসএমপি জালালাবাদ থানাধীন হাঁটখোলা, বড়কাপন এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় শ্রমিক নেতা ইকবাল হোসেন রিপন হত্যা মামলার এজহারভুক্ত আসামী মুহিবুর রহমান মুন্নাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ মুন্নাকে নিয়ে অভিযান চালায়। এসময় হত্যায় ব্যবহৃত চাপাতি, দা, ছুরি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, মুহিবুর রহমান মুন্না গ্রেফতার এড়াতে এসএমপি জালালাবাদ থানাধীন হাঁটখোলা, বড়কাপন এলাকায় আত্মগোপন করে। অবশেষে এসএমপি মোগলাবাজার থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার পলাশ রঞ্জন দে প্রযুক্তির সহায়তায় সনাক্ত করেন এবং পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
এবিষয়ে দক্ষিণ সুরমা থানার অফিসার ইনচার্জ আখতার হোসেন বলেন, শ্রমিক নেতা ইকবাল হোসেন রিপনের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার পুলিশের দেয়া প্রতিশ্রুতির প্রেক্ষিতে আজ ভোরে অভিযান চালিয়ে মুহিবুর রহমান মুন্নাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, শ্রমিক নেতা ইকবাল হোসেন রিপন হত্যার ঘটনায় এ পর্যন্ত ১২ আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকীদেরও গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ, গত ১০ জুলাই রাত ১০ টার দিকে এসএমপি দক্ষিণ সুরমা থানাধীন ভাবনা পয়েন্টে দুর্বৃত্তের হামলায় গুরুতর আহত হন সিলেট বিভাগীয় ট্যাংক লরির শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো: ইকবাল হোসেন রিপন ও তার সহযোগি। পরে পথচারিরা তাদের উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রিপনকে মৃত ঘোষনা করেন। পরদিন ১১ জুলাই নিহত ইকবাল হোসেন রিপনের স্ত্রী ১৩ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরও ৫-৭ দেখিয়ে এসএমপি কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা করেন। এঘটনায় ইতোমধ্যে ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ।



এ সংবাদটি 548 বার পড়া হয়েছে.
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •   
  •   
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ শিরোনাম