স্টিকার বাণিজ্যই ছিল কথিত সাংবাদিক ফয়ছলের পেশা : র‌্যাব

প্রকাশিত: ১০:০৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৪, ২০২১

স্টিকার বাণিজ্যই ছিল কথিত সাংবাদিক ফয়ছলের পেশা : র‌্যাব

নিউ সিলেট রিপোর্ট : সিলেটের সেই আলোচিত কথিত সাংবাদিক পরিচয়দানকারী ফয়সল কাদিরের মুল পেশা ছিল স্টিকার বাণিজ্য বলে জানিয়েছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯।
আজ বুধবার (১৪ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে র‌্যাব-৯ কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ফয়ছল কাদিরের নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সামিউল আলম।
প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, চলমান লকডাউন বাস্তবায়নে গত ৯ জুলাই এসএমপি শাহপরাণ (রহ:) থানাধীন সুরমা গেটে চেকপোস্ট বসিয়ে দায়িত্ব পালন করছিলেন ট্রাফিক পুলিশ। ওই দিন বিকেলে হেলমেটবিহীন তিন আরোহী নিয়ে কাগজপত্রবিহীন একটি মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিলেন কথিত সাংবাদিক ফয়ছল কাদির। এসময় দায়িত্বরত পুলিশ সার্জেন্ট তাকে আটক করলে তিনি মোটরসাইকেলের কাগজপত্র এবং নিজের ড্রাইভিং লাইসেন্সও দেখাতে পারিনি। উল্টো সার্জেন্টের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে তার ফেসবুক পেজ পিকে টিভি থেকে লাইভের মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীকে হেয় করার উদ্দেশ্যে পুলিশের বিরুদ্ধে নানা মিথ্যা তথ্য প্রচার শুরু করেন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ফয়ছলের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করে পুলিশ। এর পর থেকে তার উপর আমরা নজর রাখছিলাম। অবশেষে গতকাল মঙ্গলবার রাতে সিলেট সদর উপজেলার পীরেরবাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র‌্যাব-৯ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সামিউল আলম আরও বলেন, ফয়ছল কাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং আমরা খোঁজ-খবর নিয়ে জানতে পারি সে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সিএনজি অটোরিকশার টুকেন বাণিজ্য ও নানা ভুঁইফোড় পত্রিকার স্টিকার বাণিজ্যই হচ্ছে মুল পেশা। আর এর মাধ্যমেই সে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করে। পরে বিকেল ৩টায় ফয়ছল কাদিরকে এসএমপির শাহপরাণ (রহ:) থানায় হস্তান্তর করে র‌্যাব।
বিষয়টি নিশ্চিত কওে এসএমপি শাহপরাণ (রহ:) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আনিসুর রহমান বলেন, র‌্যাব হস্তান্তরের পর ফয়ছল কাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তাকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে।
উল্লেখ্য, এর আগেও সেই ফয়ছল কাদের ধর্ষণ মামলায় কানাইঘাট থানাপুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন বলে জানা গেছে। এছাড়া, একাধিকবার সিলেটের স্থানীয় পত্রিকায় সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে কথিত সাংবাদিক ফয়সল কাদিরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কুকর্মের সাথে জড়িত থাকার সাংবাদ প্রকাশ করা হয়।



এ সংবাদটি 151 বার পড়া হয়েছে.
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •   
  •   
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ শিরোনাম