নগরীতে জালালাবাদ গ্যাসের উচ্ছেদ অভিযান: প্রায় ৪০টি স্থাপনা উচ্ছেদ

প্রকাশিত: ৬:৩০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২, ২০২১

নগরীতে জালালাবাদ গ্যাসের উচ্ছেদ অভিযান: প্রায় ৪০টি স্থাপনা উচ্ছেদ

নিউ সিলেট রিপোর্ট : উচ্চ চাপ বিশিষ্ট গ্যাস পাইপ লাইনের উপর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে চতুর্থ দফা অভিযান চালিয়েছে জালালাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ। জালালাবাদ গ্যাসের নবাগত এমডি প্রকৌশলী শোয়েব আহমদ মতিনের অনুরোধে গত ৩১ অক্টোবর থেকে সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে জালালাবাদ গ্যাসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে সিসিক এ উচ্ছেদ অভিযান চালায়। এসময় নগরীর আখালিয়া, নোয়াপাড়া, কালীবাড়ী ও করেরপাড়ায় ৩দিনের প্রায় ৪ কিলোমিটার পাইপ লাইনের ভূমি অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়। এছাড়াও অভিযানে সীমানা প্রাচীর, বাড়ী, দোকান কোঠাসহ প্রায় ৪০টি বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। তাছাড়া, অভিযানের পূর্বে অনেকে নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন স্থাপনা ভেংগে ফেলেন। সকালে উচ্ছেদ অভিযান কার্য্যক্রম পরিদর্শন করেন সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, জালালাবাদ গ্যাসের এমডি প্রকৌশলী শোয়েব আহমদ মতিন।
জানা যায়, নগরীর দেবপুর-কুমারগাঁও উচ্চ চাপ বিশিষ্ট ৪০০ কি:মি: গ্যাস পাইপ লাইনের পাশাপাশি আবাসিক এলাকায় জালালাবাদ গ্যাসের অধিক গ্রহনকৃত কয়েক শতক ভূমি রয়েছে । জালালাবাদ গ্যাসের অধিকগ্রহনকৃত ভূমির প্রায় ৩০ কি:মি: পাইপলাইনের উপর অবৈধভাবে সীমানা প্রাচীর, বাড়ী, দোকান কোঠাসহ বিভিন্ন স্থাপনা অবৈধ ভাবে তৈরী করা হয়। এসব জায়গা দখল মুক্ত করতে গত ১৬ মার্চ, ২৬ আগষ্ট ও ১৫ সেপ্টেম্বর ৩দফা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে প্রায় ২০ কি:মি: পাইপ লাইনের ভূমি অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়।
জালালাবাদ গ্যাসের অধিগ্রহণকৃত ভূমিতে বসতবাড়ী স্থাপিত উচ্ছেদ সংক্রান্ত ট্রাক্সফোর্স কমিটির সদস্য সচিব ডিজিএম আমিরুল ইসলাম জানান, গ্যাস নিরাপত্তা আইনে উচ্চ চাপ বিশিষ্ট গ্যাস পাইপলাইনের উভয় পাশে নূন্যতম ১০ ফুট করে মোট ২০ ফুটের মধ্যে কোন ধরণের স্থাপনা নির্মাণ করা অবৈধ।
তিনি আরও জানান, অভিযানের পূর্বে অবৈধ দখলদারদের স্থাপনা উচ্ছেদে মৌখিকভাবে অবগত ছাড়াও কয়েকদফা নোটিশ দেয়া হয়। কিন্তু তারা তা আমলে নেননি। এই উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আগামীতে দক্ষিন সুরমা এলাকায় অভিযান পরিচালিত হবে বলে জানান তিনি। উদ্ধার অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, জালালাবাদ গ্যাসের অধিগ্রহণকৃত ভূমিতে বসতবাড়ী স্থাপিত উচ্ছেদ সংক্রান্ত ট্রাক্সফোর্স কমিটির সদস্য সচিব ডিজিএম আমিরুল ইসলাম, ডিজিএম বিপ্লব বিশ্বাস, কমিটির সদস্য ব্যবস্থাপক চন্দন কুমার কুন্ড, ব্যবস্থাপক ফজলুর হক, উপ- ব্যবস্থাপক মোনায়েম সরকার, সহকারী ব্যবস্থাপক সুহেদুর রহমান, রেজাউর রহমান, শহীদুল ইসলাম প্রমূখ।



এ সংবাদটি 42 বার পড়া হয়েছে.
Spread the love
        
 
   more 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ শিরোনাম