আ’লীগকে কর্নেল অলি
নির্বাচন নয়, আগে জান বাঁচানোর প্রস্তুতি নেন

প্রকাশিত: ৪:১৮ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২২

<span style='color:#ff0000;font-size:20px;'>আ’লীগকে কর্নেল অলি </span> <br/> নির্বাচন নয়, আগে জান বাঁচানোর প্রস্তুতি নেন

নিউ সিলেট ডেস্ক : লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি ড. কর্নেল অলি আহমদ (অব.) বলেছেন, আওয়ামী লীগ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে শুনছি। আগে জান বাঁচানোর প্রস্তুতি নেন। নির্বাচন নয়, জান বাঁচানোর প্রস্তুতি নেন। তিনি বলেন, যতদিন পর্যন্ত আমাদের বোঝার শক্তি না হয়, ততদিন পর্যন্ত আমরা অত্যাচারিত হবো। প্রথমে রাজনীতি সঠিক পথে আনতে হবে। সঠিক পথে আনতে হলে বর্তমান সরকার যে প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করেছে, সেগুলো সঠিক পথে আনতে হবে। যেসব অফিসার এই সরকারকে টিকিয়ে রাখার জন্য কাজ করেছে, তাদের তালিকা করছি আমরা। তাদের আগে জেলে পাঠাতে হবে। যারা পেনশনে গিয়েছে, তাদের পেনশন বাজেয়াপ্ত করতে হবে। তারা জাতীয় শত্রু। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘দেশের সার্বিক পরিস্থিতি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
কর্নেল অলি আহমদ বলেন, আমার পাশে জামায়াত বসে আছে। এখন যদি বিএনপি পাশে বসে তাহলে ওরা জান বাঁচানোর রাস্তা খুঁজে পাবে না। সে সময়ও আসবে। পৃথিবীতে যত স্বৈরাচার ছিল তাদের করুণ পরিণতি হয়েছে, এদেরও হবে।
তিনি বলেন, বিগত সরকারের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার অনেক দুর্নীতির কথা বলেছিল কিন্তু গত ১৩ বছরে একটা মিথ্যা মামলা ছাড়া বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা করতে পারেনি। এছাড়া আর কারও বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোনো প্রমাণ করতে পারেনি। যত দুর্নীতি হয়েছে, গত ১৩ বছরে। মেগা প্রকল্পগুলো হাতে নিয়েছিল এই দুর্নীতি করার জন্য।
তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী ভারতে গিয়ে আদানির সঙ্গে কয়েকটা চুক্তি করে আসলো। এটা দিয়ে নাকি কয়েকটা পদ্মা সেতু এবং কয়েকটা ট্যানেল বানানো যেত। তাহলে আদানিকে কী দিয়ে আসলো? দেশটা আদানির কাছে বিক্রি করে দিয়ে আসলো। ভারতে যারা রাজনীতি করে তাদের নির্বাচনের জন্য ফাইন্যান্স করে দিয়ে আসলো আদানির মাধ্যমে। অর্থাৎ ভারতের নির্বাচনের টাকা আদানির মাধ্যমে দিয়ে আসলো।
এদিকে, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য ভারত সফরে গেছেন। কিন্তু এবার ভারত তাকে ক্ষমতায় থাকার নিশ্চয়তা দেয়নি। এবারের সফরের পর আওয়ামী লীগ বুঝেছে তাদের সঙ্গে পৃথিবীর কেউ নেই। একজন প্রতিমন্ত্রী বিমানবন্দরে রিসিভ করার পরেও তিনি নৃত্যে অংশ নেন। তিনি কিছুই আনতে পারেননি ভারত থেকে।
মান্না বলেন, সরকার যারা গুলি করে সেই মিয়ানমারের সঙ্গে সমঝোতার কথা বলে আর দেশের বিরোধী দলের সঙ্গে কেন সমঝোতা করছেন না। মানুষকে মিথ্যা কথা বলে এরা বুঝাতে চায়। মানুষ তাদের আর বুঝবে না। সরকার পড়ে যাবে। তারা জনগণের কোনো সমস্যার সমাধান দিতে পারছে না। বিদেশের কোনো সরকার তাদের সঙ্গে নেই যাদের ওপর নির্ভর করতো। অতএব এটাই সময় সরকারকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়ার।
তিনি আরো বলেন, ‘বিরোধী দলগুলোর মধ্যে ঐক্য হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচনে যাবে না। ইসলামী দলগুলোকে অনুরোধ করবো তারা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কথা বলুক। আমরা একটি অন্তর্র্বতীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠায় একমত হয়েছি। আলোচনা আরও হবে। আশা করছি এই আলোচনা সফল হবে এবং লক্ষ্য বাস্তবায়ন হবে।’ ১৪ বছর ধরে একা একা আন্দোলন করে কোনো ফল আসেনি। তাই সবাইকে নিয়ে আন্দোলনে যেতে হবে। এখনই সময় আন্দোলন করার। সময় বুঝে আন্দোলনে নামতে হবে। এ জন্য হিম্মত থাকতে হবে।
আলোচনা সভায় এলডিপির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, নয়া দিগন্তের সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন, জাগপার সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধানসহ এলডিপি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।



এ সংবাদটি 27 বার পড়া হয়েছে.
Spread the love
        
 
    

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ শিরোনাম

অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০